2020 সালের উল্লেখযোগ্য মারকেটিং জব রোল 

marketing jobs in 2020.


2020 প্রায় আসন্ন এবং আশা করা যায় বিগত কয়েক বছরের মতো 2020 তেও মার্কেটিংয়ে ক্যারিয়ারের বিপুল চাহিদা বাড়বে।

 এমত অবস্থায় নতুন চাকরি জীবনে পদার্পণ করতে চলেছে এমন স্টুডেন্টদের মারকেটিং (অনলাইন বা অফলাইন) কোন কোন ফিল্ডে ভালো উন্নতির সুযোগ আছে তা নিয়েই আজকের প্রতিবেদন।


আজকের বিষয়

  1. মার্কেটিং জব  বলতে কী বোঝায়?

2. কি কি প্রশিক্ষণ এতে লাভজনক হতে পারে?

  3 2020 তে কোন কোন ডেজিকনেশন লাভজনক?

মার্কেটিং জব  বলতে কী বোঝায়?

what is marketing?
মার্কেটিং জব  বলতে কী বোঝায়? what is marketing?


 মার্কেটিং বলতে চিরাচরিতভাবে আমরা যা বুঝি কোম্পানির কোনো প্রোডাক্ট বা সার্ভিসকে তার পটেন্সিয়াল কাস্টমারের কাছে পৌঁছে দেওয়া।


এক্ষেত্রে মার্কেটিং এর অর্থ দাঁড়ায়, মার্কেটের পরিপ্রেক্ষিতে কোনো জিনিসকে সঠিক মূল্যায়নের মাধ্যমে তার চাহিদা বাড়ানোর ।


বর্তমান পরিস্থিতিতে এখন অফলাইন বেচা কেনার থেকে অনলাইন ক্রয় বিক্রয়ের চাহিদা খুব বেড়েছে।তাই প্রতিটি কোম্পানি ইন্টারনেটের  মাধ্যমে ব্যবসার উন্নতি করতে চাইছে। যে জন্য তাদের দক্ষ ডিজিটাল মার্কেটারদের প্রয়োজন। যারা অনলাইন এনলিসিসের মাধ্যমে কোম্পানির প্রোডাক্ট কে বিকতে সাহায্য করবে। 


 এইসব মার্কেটিং এর মধ্যে পাবলিসিটি , ব্র্যান্ডিং, রিচার্জ, অ্যাডভার্টাইজমেন্ট সব কিছুরই প্রয়োজন ।তাই মার্কেটিং হলো এমন একটি ফিল্ড যেখানে আপনাকে অনবরত নিজের কাজের জায়গায় খবরা-খবর সম্পর্কে অবগত থাকতে হয়।

2. কি কি প্রশিক্ষণ এতে লাভজনক হতে পারে? / মার্কেটিং এর জন্য কি ক প্রশিক্ষণ নেওয়া বাঞ্ছনীয় ?

different marketing skills
different marketing skills. মার্কেটিং এর জন্য কি ক প্রশিক্ষণ নেওয়া বাঞ্ছনীয় 


আগেই বললাম মার্কেটিংয়ে তাৎক্ষণিক খবরের প্রতি বিশেষ মনোযোগ এর দরকার ।এর সাথে সাথে বর্তমান সোশ্যাল মিডিয়ায় কি চলছে, মানুষ কেমন ধরনের জিনিস পেতে আগ্রহী ইত্যাদি সব বিষয়ে জ্ঞান থাকতে হবে ।সৃজনশীলতা, টেকনোলজি বিশেষত্ব এসইও (SEO), এসএমএম (SMM), কপিরাইটিং, বাচনভঙ্গি ইত্যাদি কে সাবলীল করে তুলতে হবে।

3. 2020 তে কোন কোন ডেজিকনেশন লাভজনক?

 প্রোডাক্ট ম্যানেজার 


কোম্পানি প্রোডাক্ট ম্যানেজারকে পুরো মার্কেটিং এর দায়িত্ব অর্থাৎ বিষয় পরিকল্পনা, তার মারকেটিং বা প্রমোশন, প্রডাক্ট বা সার্ভিস এর বিক্রয় হার বাড়ানো ইত্যাদি নানান কাজকে রূপায়িত করতে হয়। প্রোডাক্ট ম্যানেজার প্রোডাক্ট life-cycle গ্রাফ মেনে কাজ করতে সক্ষম । প্রোডাক্ট লাইফে সাইকেলে যে বিষয়গুলি গুরুত্বপূর্ণ তা হলো সূচনা বা সংজ্ঞা, বৃদ্ধি, ম্যাচিউরিটি ও সর্বশেষ পতন। 

product life cycle
product life cycle

 এই সমস্ত ডাটা কে কাজে লাগিয়ে একজন প্রোডাক্ট ম্যানেজার প্রোডাক্টকে আরো উন্নত করে তোলে, যাতে তা বেশি সংখ্যক কাস্টমারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে ও তাদের কাজে আসতে পারে।

মার্কেটিং এসিস্ট্যান্ট


গ্রাডুয়েশনের পর ছাত্রছাত্রী রা মার্কেটিং এসিস্টেন্ট হিসেবে কাজে যোগদান দিতে পারে। একজন মার্কেটিং এসিস্ট্যান্ট কে পুরো বিষয়ের ওপর জ্ঞান থাকা বাঞ্চনীয়। 
মার্কেটিং অ্যাসিস্ট্যান্ট  ইভেন্ট প্ল্যানিং, অর্গানাইজেশন এর মাধ্যমে কাস্টমারের কাছে কোম্পানি চিত্রায়ন করে থাকে। একজন মার্কেটিং এসিস্ট্যান্ট কে বিভিন্ন সেলস কপির লেখা থেকে শুরু করে এডিটিং, প্লাগরিসম চেকিং ইত্যাদি করতে হয় ।অর্থাৎ এক্ষেত্রে আবেদনকারীকে লেখনি ও শব্দচয়নেও পারদর্শী হতে হবে।

 মার্কেট রেসার্জ এনালিস্ট 

এই পেশায় আপনাকে কাস্টমারদের প্রকৃতি মূল্যায়ন ও গবেষণা করতে হবে।


 একজন দক্ষ মার্কেট রেসার্জ এনালিস্ট কাস্টমারদের আদতে কি জিনিস উপকারী হবে বা তারা কোন জিনিসের প্রতি আগ্রহী হবে ইত্যাদি বিষয়ে জ্ঞান থাকতে হয় ।
এবং সেই মতো প্রডাক্ট কে মডিফাই করা, প্যাকেজিং কে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা,  বিজ্ঞাপনের থিম নির্ধারণ করা এইসব কাজই তাকে করতে হয়।


 এছাড়াও মার্কেটিং ম্যানেজারকে প্রতিনিয়ত ডাটা বা প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে কীভাবে কম্পনিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় তার ব্যাপারে পুঙ্খনাপুঙ্খ হদিস দেওয়া সবই মার্কেট রিসার্চ এনালিস্ট এর কাজ।

মিডিয়া প্লেনার

মিডিয়া বলতে এখানে বিজ্ঞাপনের সাথে সাথে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া যেমন ফেসবুক, লিংকডিন, ইনস্টাগ্রামের কথা বলা হয়েছে ।

একজন মিডিয়া প্লেনার এইসব প্ল্যাটফর্মের ইউজারদের সার্ফ প্যাটার্ন কে রিসার্চ করেন, যাতে কোম্পানির মূল্যবান জিনিস গুলো আরো ভালোভাবে তাদের সোশ্যাল ফিডে পৌঁছে দেওয়া যায়।

এছাড়াও কাস্টমাররা কি ধরনের কনটেন্ট পছন্দ করেন এবং তার কেমন ফরমেট হওয়া দরকার ইত্যাদি সব বিষয়ই তাদের নির্ধারণ করতে হয়। প্রেজেন্টেশন, স্প্রেড শিট, গুগল অ্যানালিটিকস ইত্যাদি টুল ব্যবহারের মাধ্যমে উপযুক্ত আউটপুট দেওয়াই একজন দক্ষ মিডিয়া প্লেয়ার এর কাজ ।

সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার


 মেডিয়া প্লেনারের মতোই সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজাররা বিভিন্ন সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং কাজের সাথে যুক্ত থাকেন। যেমন সোশ্যাল এনগেজমেন্ট, লাইক, ফলোয়ারের সংখ্যা বৃদ্ধি, গুগল ইনসাইড অ্যানালিসিস ইত্যাদি ।সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার কে এসবের সাথে সাথে একজন দক্ষ কপি রাইটারও হতে হয়।

 সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ


 সর্বশেষ কাজটি হলো সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ এর।মূলত এইসব কাজের আসল উদ্দেশ্যই হল কোম্পানির প্রোডাক্ট সেলস বৃদ্ধি করা ।সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে আপনার আসল গুরুদায়িত্ব হলো কাস্টমারদের প্রোডাক্টটি ক্রয়ে বাধ্য করা ।যে জন্য একজন সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ কে কমিউনিকেশন স্কিল এ পারদর্শী হতে হয় ।
এছাড়াও  সেলস পিচ, এইচটিসি ইত্যাদি সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হয় । 

কেমন লাগলো আজকের প্রতিবেদনটি? অব্যশই নিজে কমেন্টের মাধ্যমে জানান।

মার্কেটিং সম্পর্কে এমন আরো অনেক খবর পেতে মিন্টলি বাংলাকে কে নিয়মিত ফলো করুন।